**চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে IBA মানের এমবিএ**
কি অবাক হচ্ছেন? ঢাবি, রাবি,জাবি এর যেমন Institute of Business
Administration রয়েছে তেমনি আমাদের রয়েছে Center for Business
Administration.অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ২০১২ সালে চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয় ইভেনিং এমবিএ এর জন্য চালু করে Center for Business
Administration. দুই ব্যাচ পর থেকে শুরু হয় রেগুলার এমবিএ । ইভেনিং এর
স্টুডেন্ট দের ক্যাম্পাসে ক্লাস করতে অসুবিধা হয় তাই ক্লাস গুলা হয়
বিজিএমই ভবনে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর মতে চারুকলা এবং
নাট্যকলা ইনস্টিটিউট এর মতো এখন Center for Business Administration এর
স্থায়ী ক্যাম্পাস হবে চট্টগ্রাম শহরে।জায়গা কেনার প্রক্রিয়াও চলছে। খুব
শীঘ্রই ক্যাম্পাস হবে। কেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের র এমবিএ এবং ইভেনিং
এমবিএ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এ এমবিএ করতে
যেখানে প্রায় তিন লক্ষ টাকা খরচ হয় সেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
আপনি এক লক্ষ চুয়াত্তর হাজার টাকা দিয়ে এমবিএ,এবং দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার
টাকা দিয়ে ইভেনিং এমবিএ কোর্স করতে। আর ক্লাস গুলো সব শীততাপ নিয়ন্ত্রিত,
প্রতিটি ক্লাসেই রয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর আর ক্লাস নেন সব চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়েরর সব সিনিয়র শিক্ষকরা। অর্থাৎ লেকচারারদের ক্লাস নেওয়ার
সুযোগ নেই। আর Center for Business Administration এ পড়লে আপনি চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের সব ডিপার্টমেন্ট সেরা সব শিক্ষক
দের ক্লাস করার সুযোগ পাবেন যার সুযোগ মেইন ক্যাম্পাসে নেই। কারন মেজর
সাব্জেক্ট শুরু হবার আগ পর্যন্ত সব ডিপার্টমেন্ট এত সেরা সেরা শিক্ষক
গুলো ক্লাস নেন। ধরুন প্রথম সেমিস্টারে পাঁচটা সাব্জেক তার মধ্যে
Financial Management নেন ফিন্যান্স এর সালেহ জহুর স্যার কিংবা নাছিরুল
কাদের স্যার, Marketing Management নেন মার্কেটিং এর নাসির স্যার কিংবা
তানিয়া ম্যাডাম,, Managerial accounting নেন একাউন্টিং এর আব্দুর রহমান
স্যার কিংবা হারুনুর রশীদ স্যার Management Theory and practicce নেন
ম্যানেজমেন্ট এর শামীমা ম্যাডাম কিংবা হারিসুর রহমান স্যার,Operation and
Supply chain management নেন ম্যানেজমেন্ট এর স্বদীপ স্যার কিংবা খালেদ
আফজাল স্যারের মত স্যাররা। মেজর ভাগ হবার আগ পর্যন্ত সব ডিপার্টমেন্ট এর
সেরা সব স্যারদের ক্লাস করতে পারবেন আপনি। এখানে রয়েছে পাঁচটি
ডিপার্টমেন্ট ফিন্যান্স, একাউন্টিং,ম্যান েজমেন্ট,মার্কেটিং এবং অপারেশন
এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট উল্লেখ্য অপারেশন এন্ড সাপ্লাই চেইন
ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টটি মেইন ক্যাম্পাসে না থাকলেও চাকরির বাজারে
অধিক চাহিদার কারনে এখানে খোলা হয়েছে।
ভর্তি প্রক্রিয়া : সাধারনত বছরে দুই বার এডমিশান টেস্ট হয়। জুন মাসে এবং
ডিসেম্বর মাসে। জুন মাসের ফরম দেওয়া হয় মে মাসের শেষের দিকে আর ডিসেম্বর
মাসের ফরম দেওয়া হয় নভেম্বর এর শেষে। এডমিশান টেস্ট হয় জিম্যাট স্টাইলে
অর্থাৎ ঢাবির আইবিএ এর প্রশ্নের মতো। রিটেন এ টিকলে এর পর ভাইবা। আমার
পরিচিত মনির হোসাইন নামে এক বন্ধু আছে যে একবার রিটেন এ টিকেনি,এরপরের
বার সে আবার রিটেন পরীক্ষা দেয়,রিটেনে টিকে কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস
সে ভাইবা তে টিকেনা। অতএব আপনাকে রিটেন প্লাস ভাইবা দুইটা তেই টিকতে হবে।
অর্থাৎ এডমিশান টেস্ট এর মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন সুযোগ নেই।
এডমিশান টেস্ট ভেনু-
রিটেন-
ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস এডিমিনিস্ট্রেশান(মেইন ক্যাম্পাস)
ভাইভা-
সেন্টার ফর বিজনেস এডিমিনিস্ট্রেশান(বিজিএমই ভবন)
সময়-
এমবিএ করতে তিন সেমিস্টার বা দেড় বছর, ইভেনিং এমবিএ করতে চার সেমিস্টার
বা দুই বছর লাগবে। এবং কোন সেশনজট নেই। এমবিএ এর সুযোগ শুধু বিবিএ
ব্যাকগ্রাউন্ড দের জন্য । আর ইভেনিং বিবিএ প্লাস নন বিবিএ ব্যাকগ্রাউন্ড
উভয়ের জন্য। ছবি এবং বিস্তারিত কমেন্টে....
অথবা ভিজিট করুন:--
www.cbs-cu.org
-(Collected)
Keyword: Chittagong University EMBA, MBA, BBA, Dhaka University IBA,
EMBA, BBA, CU IBA, EMBA, MBA cost
Friday, November 24, 2017
Thursday, November 16, 2017
জলপাই ফুলের মৃত্যু
আমার বন্ধু Naeemul Hasan এর 'জলপাই ফুলের মৃত্যু' নামের একটি বই বের
হয়েছে। বইটি ৩৩টি ছোট গল্প নিয়ে রচিত। এটি তার দ্বিতীয় বই। প্রথম বইয়ের
নাম 'অদ্রি' (উপন্যাস)। আমার এই প্রতিভাবাণ বন্ধুটি ছেলে বা বন্ধু হিসেবে
যেমন অসাধারণ, তেমনই অসাধারণ তার প্রতিটা গল্প, আর কবিতা। আমি তার গল্প,
কবিতা--দুটোরই ভক্ত। বিশেষ করে ওর প্রেমের কবিতাগুলো সত্যিই মনোমুগ্ধকর।
চবি'র শাটল নিয়ে ওর লেখা একটা চমৎকার গল্পের চরিত্র হিসেবে আমিও ছিলাম।
:D আশা করি এই বইয়ের গল্পগুলোও চমৎকার হবে।
.
পরীক্ষা নিয়ে দৌড়ের উপর থাকার কারণে বইটা এখনও কিনতে পারিনি। তবে ২-১
দিনের মধ্যেই কিনব ক্যাম্পাস থেকে। আমার বন্ধু তালিকায় যাঁরা বই পড়তে
ভালোবাসেন অথবা বইয়ের প্রতি আগ্রহ আছে তাঁদের প্রতি বইটা কিনে পড়ে দেখার
অনুরোধ রইল। আর যাঁদের বই কম পড়া হয় তারাও বইটা কিনতে পারেন। সবধরণের
পাঠকের কথা মাথায় রেখে গল্পগুলো অত্যন্ত সহজ আর প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা
হয়েছে বলে সে জানালো। আশা করি সবার খুব ভালো লাগবে। আমার এই লেখক
বন্ধুটির জন্য সবাই দোয়া করবেন যাতে আগামী প্রতিটা বইমেলায় সে আমাদের
নতুন নতুন বই উপহার দিতে পারে।
অনেক অনেক শুভ কামনা তোর জন্য। <3
.
বইটি যেখানে পাবেন-
১. বাতিঘর [জামালখান, প্রেসক্লাবের নিচতলায়]
২. অমর বইঘর [জিইসি মোড়]
৩. ইভা লাইব্রেরি [ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম]
৪. নন্দন বইঘর [কলার ঝুপড়ি, চবি]
৫. এডুকেশন কেয়ার [শাহজালাল হলের সামনে, চবি]
.
আগামী বইমেলা ২০১৮ তে দাঁড়িকমা প্রকাশনীর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি।
হয়েছে। বইটি ৩৩টি ছোট গল্প নিয়ে রচিত। এটি তার দ্বিতীয় বই। প্রথম বইয়ের
নাম 'অদ্রি' (উপন্যাস)। আমার এই প্রতিভাবাণ বন্ধুটি ছেলে বা বন্ধু হিসেবে
যেমন অসাধারণ, তেমনই অসাধারণ তার প্রতিটা গল্প, আর কবিতা। আমি তার গল্প,
কবিতা--দুটোরই ভক্ত। বিশেষ করে ওর প্রেমের কবিতাগুলো সত্যিই মনোমুগ্ধকর।
চবি'র শাটল নিয়ে ওর লেখা একটা চমৎকার গল্পের চরিত্র হিসেবে আমিও ছিলাম।
:D আশা করি এই বইয়ের গল্পগুলোও চমৎকার হবে।
.
পরীক্ষা নিয়ে দৌড়ের উপর থাকার কারণে বইটা এখনও কিনতে পারিনি। তবে ২-১
দিনের মধ্যেই কিনব ক্যাম্পাস থেকে। আমার বন্ধু তালিকায় যাঁরা বই পড়তে
ভালোবাসেন অথবা বইয়ের প্রতি আগ্রহ আছে তাঁদের প্রতি বইটা কিনে পড়ে দেখার
অনুরোধ রইল। আর যাঁদের বই কম পড়া হয় তারাও বইটা কিনতে পারেন। সবধরণের
পাঠকের কথা মাথায় রেখে গল্পগুলো অত্যন্ত সহজ আর প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা
হয়েছে বলে সে জানালো। আশা করি সবার খুব ভালো লাগবে। আমার এই লেখক
বন্ধুটির জন্য সবাই দোয়া করবেন যাতে আগামী প্রতিটা বইমেলায় সে আমাদের
নতুন নতুন বই উপহার দিতে পারে।
অনেক অনেক শুভ কামনা তোর জন্য। <3
.
বইটি যেখানে পাবেন-
১. বাতিঘর [জামালখান, প্রেসক্লাবের নিচতলায়]
২. অমর বইঘর [জিইসি মোড়]
৩. ইভা লাইব্রেরি [ওয়াসা মোড়, চট্টগ্রাম]
৪. নন্দন বইঘর [কলার ঝুপড়ি, চবি]
৫. এডুকেশন কেয়ার [শাহজালাল হলের সামনে, চবি]
.
আগামী বইমেলা ২০১৮ তে দাঁড়িকমা প্রকাশনীর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি।
Saturday, September 9, 2017
সাতার না জানাদের জন্য নির্দেশিকা
আমি ছোটবেলায় জুনিয়র রেডক্রস করতাম, আমাদের একটা প্রশিক্ষণ হয়েছিল, সেখান
থেকে আর নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে কতগুলো কথা বলে ফেলি।
.
১. সাঁতার না জানা থাকলে পানিতে নামার দরকার নেই। আর প্রত্যেকেরই উচিত
সাঁতার শিখে রাখা।
.
২. ভাটার সময় সমুদ্রে নামা উচিত নয়। কক্সবাজারের সৈকতে লাল-সবুজ পতাকা
ওড়ানো হয়। সবুজ পতাকা থাকলেই কেবল নামা যেতে পারে। যাঁরা সাঁতার জানেন
না, তাঁরা বড়জোর পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ভেজাতে পারেন। এর চেয়ে গভীরে যাওয়া
উচিত নয়। যাঁরা সাঁতার জানেন, তাঁরা কোমর পানি পর্যন্ত যেতে পারেন। তবে
মনে রাখতে হবে, কক্সবাজারের আপাত নিরাপদ জায়গায়ও ভেতরে ভেতরে বেশ গভীর
খাদের মতো আছে। আর ঢেউ নেমে যাওয়ার সময় পায়ের নিচের মাটি সরে যায়। হঠাৎ
করে পা খাদে পড়লে অতলে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি হয়। যিনি সাঁতার জানেন না,
তিনি কিন্তু হাঁটুপানিতেও পড়ে গিয়ে ভয় পেয়ে মারা পড়তে পারেন।
.
৩. সুইমিংপুলে কিংবা পুকুরে সাঁতার কাটা আর নদীতে ও সমুদ্রে সাঁতার কাটা
একদমই এক নয়। খুব ছোট নদীর সামান্য স্রোতেও সাঁতার কাটা খুব মুশকিল।
স্রোত ভাসিয়ে ভাটির দিকে নিতে থাকে। উত্তাল সমুদ্রে বড় সাঁতারুর পক্ষেও
ভেসে থাকা কঠিন। কাজেই সাঁতার জানা থাকলেও খরস্রোতা নদীতে কিংবা উত্তাল
সমুদ্রে নামা উচিত নয়। আসলে সমুদ্র জিনিসটা স্নানের জন্য বা সাঁতারের
জন্য নয়। আর সমুদ্রের যেখানে ইচ্ছা সেখানে নামতে ইচ্ছা করল আর নেমে
গেলাম, এটাও ঠিক নয়।
.
৪. মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের মতো জায়গায় পানিতে নামার একদমই প্রয়োজনীয়তা নেই।
.
৫. ঘুমের ওষুধ, কাশির ওষুধ, অ্যালকোহল, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের পর
পানিতে নামা বিপজ্জনক। এমনকি স্নানাগারের চৌবাচ্চায়ও ডুবে মানুষ মারা
যেতে পারে।
.
৬. যিনি সাঁতার জানেন না, তাঁকে উদ্ধার করতে যাওয়া বিপজ্জনক। এটা আমাদের
রেডক্রসের প্রশিক্ষণে শেখানো হয়েছে। বলা হয়েছে, বাঁশ বা দড়ি এগিয়ে দেবে,
প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কাছে যেতে পারেন, কিন্তু তুমি গেলে ডুবন্ত ব্যক্তি
তোমাকে জড়িয়ে ধরবে এবং সাঁতার কাটতে দেবে না। সে নিজেও মারা যাবে,
তোমাকেও মারবে। বলা হয়েছিল, যিনি সাঁতার জানেন না, তাঁর কপালের পাশে বাড়ি
মেরে তাঁকে অজ্ঞান করে তারপর তুলতে হবে। আর কর্তৃপক্ষের উচিত, বিপজ্জনক
এলাকা, বিপজ্জনক সময় ইত্যাদি চিহ্নিত করে দেওয়া। সমুদ্রের পর্যটন এলাকায়
উদ্ধারকারী দল সদা প্রস্তুত রাখা। তবে আবারও বলি, সাঁতার না জানা থাকলে
পানিতে নামার দরকার নেই। সাঁতার জানা থাকলেও খরস্রোতা নদী বা উত্তাল
সমুদ্রে বা অচেনা জায়গায় হঠাৎ করে পানিতে নামা উচিত নয়। মানুষ শ্বাস না
নিয়ে ছয় মিনিটের বেশি বাঁচতে পারে না। কাজেই উদ্ধারকারীরা আছেন, আমার
বিপদ হলেও কেউ এসে আমাকে বাঁচাবেন, এই ভরসা করা উচিত নয়। ছয় মিনিটের
মধ্যে উদ্ধারকারী আসার সম্ভাবনা খুবই কম। কাজেই নিজের সাবধানতা নিজের
কাছে। ঘটনা ঘটে গেলে কথা বলে আর লাভ নেই। যিনি গেছেন, তিনি আর ফিরে আসবেন
না। কিন্তু আমরা যারা আছি, আমরা যেন নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে না আনি।
.
- Anisul Hoque, Editorial, Prothom Alo
থেকে আর নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে কতগুলো কথা বলে ফেলি।
.
১. সাঁতার না জানা থাকলে পানিতে নামার দরকার নেই। আর প্রত্যেকেরই উচিত
সাঁতার শিখে রাখা।
.
২. ভাটার সময় সমুদ্রে নামা উচিত নয়। কক্সবাজারের সৈকতে লাল-সবুজ পতাকা
ওড়ানো হয়। সবুজ পতাকা থাকলেই কেবল নামা যেতে পারে। যাঁরা সাঁতার জানেন
না, তাঁরা বড়জোর পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ভেজাতে পারেন। এর চেয়ে গভীরে যাওয়া
উচিত নয়। যাঁরা সাঁতার জানেন, তাঁরা কোমর পানি পর্যন্ত যেতে পারেন। তবে
মনে রাখতে হবে, কক্সবাজারের আপাত নিরাপদ জায়গায়ও ভেতরে ভেতরে বেশ গভীর
খাদের মতো আছে। আর ঢেউ নেমে যাওয়ার সময় পায়ের নিচের মাটি সরে যায়। হঠাৎ
করে পা খাদে পড়লে অতলে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি হয়। যিনি সাঁতার জানেন না,
তিনি কিন্তু হাঁটুপানিতেও পড়ে গিয়ে ভয় পেয়ে মারা পড়তে পারেন।
.
৩. সুইমিংপুলে কিংবা পুকুরে সাঁতার কাটা আর নদীতে ও সমুদ্রে সাঁতার কাটা
একদমই এক নয়। খুব ছোট নদীর সামান্য স্রোতেও সাঁতার কাটা খুব মুশকিল।
স্রোত ভাসিয়ে ভাটির দিকে নিতে থাকে। উত্তাল সমুদ্রে বড় সাঁতারুর পক্ষেও
ভেসে থাকা কঠিন। কাজেই সাঁতার জানা থাকলেও খরস্রোতা নদীতে কিংবা উত্তাল
সমুদ্রে নামা উচিত নয়। আসলে সমুদ্র জিনিসটা স্নানের জন্য বা সাঁতারের
জন্য নয়। আর সমুদ্রের যেখানে ইচ্ছা সেখানে নামতে ইচ্ছা করল আর নেমে
গেলাম, এটাও ঠিক নয়।
.
৪. মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের মতো জায়গায় পানিতে নামার একদমই প্রয়োজনীয়তা নেই।
.
৫. ঘুমের ওষুধ, কাশির ওষুধ, অ্যালকোহল, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের পর
পানিতে নামা বিপজ্জনক। এমনকি স্নানাগারের চৌবাচ্চায়ও ডুবে মানুষ মারা
যেতে পারে।
.
৬. যিনি সাঁতার জানেন না, তাঁকে উদ্ধার করতে যাওয়া বিপজ্জনক। এটা আমাদের
রেডক্রসের প্রশিক্ষণে শেখানো হয়েছে। বলা হয়েছে, বাঁশ বা দড়ি এগিয়ে দেবে,
প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কাছে যেতে পারেন, কিন্তু তুমি গেলে ডুবন্ত ব্যক্তি
তোমাকে জড়িয়ে ধরবে এবং সাঁতার কাটতে দেবে না। সে নিজেও মারা যাবে,
তোমাকেও মারবে। বলা হয়েছিল, যিনি সাঁতার জানেন না, তাঁর কপালের পাশে বাড়ি
মেরে তাঁকে অজ্ঞান করে তারপর তুলতে হবে। আর কর্তৃপক্ষের উচিত, বিপজ্জনক
এলাকা, বিপজ্জনক সময় ইত্যাদি চিহ্নিত করে দেওয়া। সমুদ্রের পর্যটন এলাকায়
উদ্ধারকারী দল সদা প্রস্তুত রাখা। তবে আবারও বলি, সাঁতার না জানা থাকলে
পানিতে নামার দরকার নেই। সাঁতার জানা থাকলেও খরস্রোতা নদী বা উত্তাল
সমুদ্রে বা অচেনা জায়গায় হঠাৎ করে পানিতে নামা উচিত নয়। মানুষ শ্বাস না
নিয়ে ছয় মিনিটের বেশি বাঁচতে পারে না। কাজেই উদ্ধারকারীরা আছেন, আমার
বিপদ হলেও কেউ এসে আমাকে বাঁচাবেন, এই ভরসা করা উচিত নয়। ছয় মিনিটের
মধ্যে উদ্ধারকারী আসার সম্ভাবনা খুবই কম। কাজেই নিজের সাবধানতা নিজের
কাছে। ঘটনা ঘটে গেলে কথা বলে আর লাভ নেই। যিনি গেছেন, তিনি আর ফিরে আসবেন
না। কিন্তু আমরা যারা আছি, আমরা যেন নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে না আনি।
.
- Anisul Hoque, Editorial, Prothom Alo
বিদায়ের গান....
ছাত্র জীবনের এই বিদায় বেলায়...
সোনালি অতীত দেখি স্মৃতির পাতায়...
এ ভার্সিটি জীবনের মধুময় দিন....
মনের মাঝে আজ চির অমলিন.....
কাটা পাহাড়ের পথ ধরেই হাটা....
থমকে ছিলো তখন ঘড়ির কাঁটা...
আজ যখনি তাকাই আমি পেছনে ফিরে....
আসে স্মৃতির কান্না ভেসে মনটি ঘিরে....
এই স্মৃতি টুকু সম্বল করে অবেলায়....
ইতিহাস হয়ে যাবো স্মৃতির পাতায়...
গেয়ে জীবনেরই গান,কত মধুর স্মৃতি...
সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার আকুতি...
দেখা হবে কি বন্ধু আবার এই ক্যাম্পাসে...
হাটা হবে কি বন্ধু চবির ঐ রাজপথে...
প্রিয়ো ক্যাম্পাসের এই রঙ্গিণ ভুবনে....
ছুটে আসতো সবাই চড়ে শাটল ট্রেনে...
শাটল ট্রেনের ঐ যাত্রা পথে....
গান হতো প্রাণ খুলে একই সাথে....
কিছু কিছু মনে ছিলো গভীর প্রণয়....
ক্লাস ফাঁকি দিয়ে হতো প্রেম বিনিময়....
এখনো কিছু মন আছে একাকী....
পাইনি খুঁজে তারা প্রেমের পাখি...
সেই দুঃখ, কষ্ট, মন ভাঙ্গা অভিমান...
স্মৃতির পাতায় আজ চির অম্লান...
গেয়ে জীবনেরই গান,কত মধুর স্মৃতি...
সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার আকুতি....
দেখা হবে কি বন্ধু আবার এই ক্যাম্পাসে...
গাওয়া হবে কি বন্ধু প্রাণ খুলে একসাথে...
মামুর দোকানে আর আলীর দোকানে...
আড্ডাবাজি হতো গানে গানে...
গ্রন্থাগারের ঐ সিঁড়ির থাকে...
বসাতো হবেনা তাই মনটি কাঁদে...
জারুল তলায় আর শহীদ মিনারে...
মন চাই ফিরে যেতে বারে বারে....
এই শিক্ষাজীবনে পাওয়া সবচেয়ে দামী...
শিক্ষাগুরুর সেই মধুর বাণী....
আজ বেলাশেষে চলে যাব ব্যথা নিয়ে মনে...
স্মৃতি হয়ে পড়ে রব এই চবির ভুবনে...
গেয়ে জীবনেরই গান,কত মধুর স্মৃতি....
সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার আকুতি....
দেখা হবে কি বন্ধু জীবনের কোন কালে....
ফেরা হবে কি বন্ধু কোন এক বিকেলে....???
#ইমামুল হাসান দৌলত
ইতিহাস বিভাগ,চবি....
এম.এ (২০১২-২০১৩) সেশন
সোনালি অতীত দেখি স্মৃতির পাতায়...
এ ভার্সিটি জীবনের মধুময় দিন....
মনের মাঝে আজ চির অমলিন.....
কাটা পাহাড়ের পথ ধরেই হাটা....
থমকে ছিলো তখন ঘড়ির কাঁটা...
আজ যখনি তাকাই আমি পেছনে ফিরে....
আসে স্মৃতির কান্না ভেসে মনটি ঘিরে....
এই স্মৃতি টুকু সম্বল করে অবেলায়....
ইতিহাস হয়ে যাবো স্মৃতির পাতায়...
গেয়ে জীবনেরই গান,কত মধুর স্মৃতি...
সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার আকুতি...
দেখা হবে কি বন্ধু আবার এই ক্যাম্পাসে...
হাটা হবে কি বন্ধু চবির ঐ রাজপথে...
প্রিয়ো ক্যাম্পাসের এই রঙ্গিণ ভুবনে....
ছুটে আসতো সবাই চড়ে শাটল ট্রেনে...
শাটল ট্রেনের ঐ যাত্রা পথে....
গান হতো প্রাণ খুলে একই সাথে....
কিছু কিছু মনে ছিলো গভীর প্রণয়....
ক্লাস ফাঁকি দিয়ে হতো প্রেম বিনিময়....
এখনো কিছু মন আছে একাকী....
পাইনি খুঁজে তারা প্রেমের পাখি...
সেই দুঃখ, কষ্ট, মন ভাঙ্গা অভিমান...
স্মৃতির পাতায় আজ চির অম্লান...
গেয়ে জীবনেরই গান,কত মধুর স্মৃতি...
সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার আকুতি....
দেখা হবে কি বন্ধু আবার এই ক্যাম্পাসে...
গাওয়া হবে কি বন্ধু প্রাণ খুলে একসাথে...
মামুর দোকানে আর আলীর দোকানে...
আড্ডাবাজি হতো গানে গানে...
গ্রন্থাগারের ঐ সিঁড়ির থাকে...
বসাতো হবেনা তাই মনটি কাঁদে...
জারুল তলায় আর শহীদ মিনারে...
মন চাই ফিরে যেতে বারে বারে....
এই শিক্ষাজীবনে পাওয়া সবচেয়ে দামী...
শিক্ষাগুরুর সেই মধুর বাণী....
আজ বেলাশেষে চলে যাব ব্যথা নিয়ে মনে...
স্মৃতি হয়ে পড়ে রব এই চবির ভুবনে...
গেয়ে জীবনেরই গান,কত মধুর স্মৃতি....
সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার আকুতি....
দেখা হবে কি বন্ধু জীবনের কোন কালে....
ফেরা হবে কি বন্ধু কোন এক বিকেলে....???
#ইমামুল হাসান দৌলত
ইতিহাস বিভাগ,চবি....
এম.এ (২০১২-২০১৩) সেশন
Monday, August 28, 2017
ধর্ষকের ক্ষমতা
পুরুষের দৈহিক 'ক্ষমতা' রাজনৈতিক। সেই ক্ষমতা রাষ্ট্রের, টাকার ও দাপটের
ক্ষমতার সঙ্গে জোট বেঁধেই ধর্ষণের ক্ষমতা হয়ে ওঠে। এসব ক্ষমতাকে প্রশ্ন
না করে, ধর্ষণের সম্পূর্ণ বিচার সম্ভব নয়। এত সব ক্ষমতাকেন্দ্রের ছায়াতেই
কিছু কিছু পুরুষ ধর্ষক হয়ে ওঠে, যুদ্ধে, প্রেমে, সংসারে ও সমাজে। ধর্ষকের
জয়ের তালি এক হাতে বাজে না। আরেক হাত ক্ষমতার।
- ফারুক ওয়াসিফ | ০৯ মে ২০১৭, ১৮:৪৭
ক্ষমতার সঙ্গে জোট বেঁধেই ধর্ষণের ক্ষমতা হয়ে ওঠে। এসব ক্ষমতাকে প্রশ্ন
না করে, ধর্ষণের সম্পূর্ণ বিচার সম্ভব নয়। এত সব ক্ষমতাকেন্দ্রের ছায়াতেই
কিছু কিছু পুরুষ ধর্ষক হয়ে ওঠে, যুদ্ধে, প্রেমে, সংসারে ও সমাজে। ধর্ষকের
জয়ের তালি এক হাতে বাজে না। আরেক হাত ক্ষমতার।
- ফারুক ওয়াসিফ | ০৯ মে ২০১৭, ১৮:৪৭
অনুকূল
কারও 'না'-কে 'হ্যাঁ' করাতে পারাটা একটা কঠিন কাজ। যেটা আমি একদম পারি
না। অনুরোধ বা জোর করে কাউকে নিজের অনুকূলে আনা বা নিজের মতামতকে
পতিপক্ষের কাছে গ্রহণ করানো একটা দুঃসাধ্য কাজ। আর এই দুঃসাধ্য কাজটা
যারা পারে, তারা বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী। তাদের কাছেই পৃথিবীটা সহজ।
- Tareq I Imon
না। অনুরোধ বা জোর করে কাউকে নিজের অনুকূলে আনা বা নিজের মতামতকে
পতিপক্ষের কাছে গ্রহণ করানো একটা দুঃসাধ্য কাজ। আর এই দুঃসাধ্য কাজটা
যারা পারে, তারা বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী। তাদের কাছেই পৃথিবীটা সহজ।
- Tareq I Imon
অসুখী
সুখের তৃষ্ণায় তৃষিত আমি
ভুল করে একদিন সুখী হয়েছিলাম;
সেই সুখের মধ্য দিয়েই প্রবেশ করেছিলাম-
অসুখীদের গ্রহে..।
- Tareq I Imon
ভুল করে একদিন সুখী হয়েছিলাম;
সেই সুখের মধ্য দিয়েই প্রবেশ করেছিলাম-
অসুখীদের গ্রহে..।
- Tareq I Imon
Subscribe to:
Posts (Atom)