গতকাল বিকেলের দিকে গেলাম চট্টগ্রামের বহুল পরিচিত এক জাদুঘরে। সাথে এক
ফ্রেন্ড এবং এক বড় ভাই ছিলো। পাশে লাগানো শিশু পার্ক। জাদুঘর এরিয়াতে
ঢুকেই যা মনে হলো, এটা জাদুঘর না, যেন প্রেমিক-প্রেমিকার জোড়া পৃথিবীতে
ঢুকে পড়লাম! ৪-৫ হাত পর পর একেকটা জোড়া। ভাগ্যিস একা যায়নি, না হয় তাদের
জোড়া পৃথিবীতে আমি একজন সিঙ্গেল ঢুকে পড়ার লজ্জায় আবার বেক করতে হতো!
বাইরের দৃশ্য তো অনেক দেখলাম। তারপর ঢুকে পড়লাম জাদুঘরে। জাদু ঘরের সব
কিছু দেখতে দেখতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো।
বের হয়ে দেখি আগের চেয়ে ভীড় একটু কম। পাশের একটা কোম্পানিতে বড় ভাইটি জব
করেন। তিনি আমাদের এখানে রেখে তার কর্মস্থল থেকে একটু ঘুরে আসতে গেলেন।
আমরা বাইরে এসে বসলাম। খোলা আকাশের নিচে ঠান্ডা আবহাওয়া। পাশের শিশু
পার্কের হালকা আলোয় আলোকিত চারপাশ। পার্কটি নামে শিশুর হলেও শিশুর
আনাগোনা কম। ২০-২৫ বছরের যুবক ও ১৫-২০ বছরের যুবতীই বেশি চোখে পড়ছিল।
মানুষ শিশু নিয়ে যাবেই বা কীভাবে, শিশু নিয়ে যাওয়ার পরিবেশ কি সেখানে
রেখেছে ওরা?? পুরো পার্কটাকে তো ডেটিং এর আসর বানিয়ে ফেলেছে।
জাদুঘর এরিয়াতে ঢুকেই খুঁটিনাটি অনেক কিছুই দেখলাম। তবে সেগুলো নিয়ে তেমন
ভাবিনি। কিন্তু, বসার পর পার্কের যে পাশ্বটা আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই
পাশ্বের একদম শেষ প্রান্তে কয়েক জোড়া যুবক-যুবতীকে দেখা যাচ্ছে। তাদের
পেছনে অনেক দূরে লাইট জ্বলছে। পেছন দিকে দূরে লাইট থাকায় সামনের দিক থেকে
তাদের চেহারা বোঝা না গেলেও শরীরের আকৃতিটা বোঝা যাচ্ছে।
একটু পর হঠাৎ দেখি যে তাদের দুটি মাথা এক হয়ে গেল! তাহলে কাহিনী কী?
আরেকজন গেল কই?? সেই কাহিনী খুঁজতে খুঁজতে যে দৃশ্য দেখলাম সেই দৃশ্যের
বর্ণনা দিয়ে আপনাদের লজ্জায় ফেলতে চাইছিনা।
শুধু এটুকু বলি, ওরা মানুষ না, ওরা হলো পশু-পাখি। পাবলিক প্লেসে একমাত্র
পশু-পাখীরাই এগুলো পারে।
No comments:
Post a Comment